২২ জুন ২০২৬, সোমবার, ০১:২৪

শিরোনাম
অতিরিক্ত লাইসেন্সে বিপাকে পেট্রোল পাম্প মালিকরা সরকারি চাকরিতে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি পদ শূন্য, জানালেন প্রতিমন্ত্রী মালয়েশিয়ার ২ হাজার বন্দিদের ফেরানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়ায় লালগালিচায় বরণ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মামুনুল প্রসঙ্গের বক্তব্য মুছে দিলেন স্পিকার দেশে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ শনাক্ত ১,০৬৩ জনের মালয়েশিয়ার পথে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরের শেষে শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন: বিমানমন্ত্রী
শিরোনাম
অতিরিক্ত লাইসেন্সে বিপাকে পেট্রোল পাম্প মালিকরা সরকারি চাকরিতে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি পদ শূন্য, জানালেন প্রতিমন্ত্রী মালয়েশিয়ার ২ হাজার বন্দিদের ফেরানোর আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়ায় লালগালিচায় বরণ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মামুনুল প্রসঙ্গের বক্তব্য মুছে দিলেন স্পিকার দেশে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ শনাক্ত ১,০৬৩ জনের মালয়েশিয়ার পথে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরের শেষে শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন: বিমানমন্ত্রী

ভারতের সীমান্তে সাপ-কুমির বাহিনী, এমন নজির বিশ্বে আর আছে?

ভারতের সীমান্তে সাপ-কুমির বাহিনী, এমন নজির বিশ্বে আর আছে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১ মে, ২০২৬, ১৮:৩৬

অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান ঠেকাতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের নদীভিত্তিক অংশে বিষধর সাপ ও কুমির ছাড়ার সম্ভাব্যতা যাচাই করতে বলেছে ভারতের সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী (বিএসএফ)।

বিএসএফের একটি অভ্যন্তরীণ চিঠিতে বলা হয়েছে, যেসব নদী ও জলাভূমি এলাকায় সাধারণ কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া সম্ভব নয়, সেখানে ‘প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা’ হিসেবে সাপ ও কুমির মোতায়েনের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে। 

চিঠিটি ২৬ মার্চ বিএসএফ সদর দপ্তর থেকে পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ইউনিটগুলোতে পাঠানো হয়।

সূত্রমতে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশনায় এই পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। ফেব্রুয়ারিতে বিএসএফের এক বৈঠকে এ বিষয়টি উঠে আসে। সীমান্তের প্রায় ১৭৫ কিলোমিটার নদীভিত্তিক অংশে এই ‘জীবিত বাধা’ তৈরির কথা ভাবা হচ্ছে।

ভারতের মোট ৪,০৯৬ কিলোমিটার সীমান্তের অনেকাংশই নদী, খাল ও জলাভূমি দিয়ে গঠিত, যেখানে ঐতিহ্যবাহী বেড়া নির্মাণ কার্যকর হয় না। 

বিএসএফ কর্মকর্তারা বলছেন, এসব এলাকায় অনুপ্রবেশকারীদের ঠেকাতে ড্রোন, নাইট ভিশন ক্যামেরা ও স্নিফার ডগের পাশাপাশি এমন অপ্রচলিত পদ্ধতি বিবেচনা করা হচ্ছে।তবে এই পরিকল্পনা নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। 

পরিবেশবাদী ও মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, এটি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের লঙ্ঘন হতে পারে এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।বিশ্বের অন্য কোনো দেশ এ ধরনের ‘সাপ-কুমির বেড়া’র পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে কি না—তার কোনো আধুনিক নজির পাওয়া যায়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে মেক্সিকো সীমান্তে ‘সাপ-কুমির ভর্তি খাল’ তৈরির ধারণা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল বলে খবর বেরিয়েছিল, যা পরে তিনি অস্বীকার করেন।

বিএসএফ জানিয়েছে, এখনও এটি শুধু সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

আরও পড়ুন