০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২১:৫৩

শিরোনাম
বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিক্ষাখাতের বাজেটে থাকছে সর্বোচ্চ বরাদ্দ : শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
শিরোনাম
বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিক্ষাখাতের বাজেটে থাকছে সর্বোচ্চ বরাদ্দ : শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সেনাপ্রধানের সঙ্গে ডিএসসিইউয়ের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

সেনাপ্রধানের সঙ্গে ডিএসসিইউয়ের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ০০:২৯

ইন্দো-প্যাসিফিক ডিফেন্স সিকিউরিটি কো-অপারেশন ইউনিভার্সিটির (ডিএসসিইউ) রিজিওনাল প্রোগ্রাম লিড ও সহকারী অধ্যাপক মি. মাইকেল রেমবোল্ডের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সেনা সদরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

আইএসপিআর সূত্র জানায়, সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষের মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

বিশেষ করে ইনস্টিটিউশনাল ক্যাপাসিটি বিল্ডিং (আইসিবি) বা প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

আলোচনায় আধুনিক প্রশিক্ষণ, জ্ঞান বিনিময় এবং যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর দক্ষতা ও পেশাগত মান আরো উন্নত করার সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করা হয়। এই ধরনের সহযোগিতা ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

উল্লেখ্য, ডিএসসিইউ হলো মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

যা নিরাপত্তা সহযোগিতা, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং জনশক্তি উন্নয়নের মাধ্যমে ইন্দো-প্যাসিফিকসহ বিশ্বব্যাপী অংশীদারদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এটি এফএমএস (ফরেন মিলিটারি সেলস), লজিস্টিকস এবং নীতি-নির্ধারণে প্রশিক্ষণ প্রদান করে। যা এ অঞ্চলে কৌশলগত অংশীদারি ও নিরাপত্তা জোরদার করতে কাজ করে।

আরও পড়ুন