জাবির হল থেকে মদ-গাজাসহ নারী শিক্ষার্থী আটক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ০০:০৩
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) একটি আবাসিক হলে মাদক সেবনের অভিযোগে অন্য হলের এক নারী শিক্ষার্থীকে আটক করেছে হল প্রশাসন। এ সময় ওই কক্ষ থেকে গাঁজা, মদের বোতলসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকসামগ্রী উদ্ধার করা হয়। পুরো ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব ফয়জুন্নেসা হলের ১১৬ নম্বর কক্ষে অভিযান চালিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়।
আটক করা শিক্ষার্থীর নাম ইনিশা। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ৪৮তম আবর্তনের শিক্ষার্থী এবং বেগম খালেদা জিয়া হলের আবাসিক ছাত্রী।
হল প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট কক্ষ থেকে তীব্র গন্ধ বের হলে কয়েকজন শিক্ষার্থী বিষয়টি হল কর্তৃপক্ষকে জানান। পরে হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সুমাইয়া খানম নিশির অভিযোগের ভিত্তিতে হলের ওয়ার্ডেন সুলতানা আক্তারের নেতৃত্বে কক্ষটিতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ইনিশাকে মাদক সেবনরত অবস্থায় হাতেনাতে ধরা হয়। যে কক্ষটিতে (১১৬ নং) এই ঘটনা ঘটে, সেটি ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ৫১তম আবর্তনের শিক্ষার্থী তনুজা তিথির নামে বরাদ্দ ছিল।
অভিযানে কক্ষটিতে তল্লাশি চালিয়ে গাঁজা, মদের বোতল, ধূমপানের বিভিন্ন সরঞ্জাম, একাধিক লাইটার, সিগারেটের অবশিষ্টাংশ এবং সন্দেহজনক তরল পদার্থ উদ্ধার করা হয়।
ফয়জুন্নেসা হল সংসদের জিএস সুমাইয়া খানম নিশি বলেন, ‘আগেও ওই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে বহিরাগত নিয়ে হলে প্রবেশের অভিযোগ ছিল। আজ তাকে হাতেনাতে ধরা হয়েছে। আমরা এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’
নওয়াব ফয়জুন্নেসা হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘কক্ষ থেকে তীব্র গন্ধ পাওয়ার পর দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা আমাদের জানায়। পরে সেখানে গিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে মাদক সেবনরত অবস্থায় পাওয়া যায়। যেহেতু তিনি আমাদের হলের শিক্ষার্থী নন, তাই পাশের বেগম খালেদা জিয়া হল প্রশাসনকে তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। জব্দকৃত সামগ্রীসহ পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।’
বেগম খালেদা জিয়া হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মঞ্জুর ইলাহি জানান, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম রাশেদুল আলম বলেন, ‘অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত শিক্ষার্থী হল ত্যাগ করায় এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
এদিকে, পুরো ঘটনাটি তদন্তের জন্য অধ্যাপক ড. সুলতানাকে আহ্বায়ক এবং হলের ডেপুটি রেজিস্ট্রার ইয়ার হোসেনকে সদস্য সচিব করে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হল প্রশাসন। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—রাশেদা খাতুন, নাদিয়া সুলতানা ও শাহানাজ আক্তার।
আরও পড়ুন
- • প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষ্যে বন্ধ থাকবে মৌলভীবাজারের ৯২ চা বাগান
- • প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় নতুন অধ্যায়, পরীক্ষায় লক্ষ্যভেদ করল ভারতের নতুন অস্ত্র
- • মেসিদের বিশ্বকাপ একাদশ প্রায় চূড়ান্ত, স্কালোনির চমক কোথায়?
- • ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ১ জনের মৃত্যু, ভর্তি ১১৩
- • সিরাজগঞ্জে ট্রাকচাপায় পুলিশ কর্মকর্তার নিহত
- • চলতি মাসে আরও ৪ কার্গো এলএনজি আমদানি করবে সরকার
- • নিউইয়র্কে আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়া সমর্থকদের সংঘর্ষ
- • প্রতিশোধের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
- • অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে প্রথমবার ওয়ানডে সিরিজ বাংলাদেশের
- • মহারাষ্ট্রে একই পরিবারের চারজনের রহস্যজনক মৃত্যু
- • বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে গ্রেপ্তার
- • যানজট নিরসনে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়নে সভা করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- • শুরু হচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ এর প্রথম ম্যাচ
- • সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ঢাকার তিন বাস টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- • সৌদিতে চাকরি ও ভিসা প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন
- • শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী
- • ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে দুই হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে ছয়জন নিহত
- • বেনজীর আহমেদকে ফেরত নিতে ৩০ দিনের সময় দিল সংযুক্ত আরব আমিরাত
