১৭ জুন ২০২৬, বুধবার, ০৪:৩৩

শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষ্যে বন্ধ থাকবে মৌলভীবাজারের ৯২ চা বাগান চলতি মাসে আরও ৪ কার্গো এলএনজি আমদানি করবে সরকার প্রতিশোধের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মহররমের চাঁদ দেখা গেছে, ২৬ জুন আশুরা ফ্যামেলি কার্ড বিতরণে মৌলভীবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এমপিদের কক্ষ নির্মাণে ৬ লাখ বরাদ্দ নিয়ম না মানলে সংসদ চলবে না: স্পিকার বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ এর উদ্বোধন
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষ্যে বন্ধ থাকবে মৌলভীবাজারের ৯২ চা বাগান চলতি মাসে আরও ৪ কার্গো এলএনজি আমদানি করবে সরকার প্রতিশোধের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মহররমের চাঁদ দেখা গেছে, ২৬ জুন আশুরা ফ্যামেলি কার্ড বিতরণে মৌলভীবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এমপিদের কক্ষ নির্মাণে ৬ লাখ বরাদ্দ নিয়ম না মানলে সংসদ চলবে না: স্পিকার বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ এর উদ্বোধন

যে ছয় কারণে ব্যর্থ হল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা

যে ছয় কারণে ব্যর্থ হল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০০:১১

ইসলামাবাদ-এ অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান-এর প্রথম দফার উচ্চপর্যায়ের বৈঠক কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি ছাড়াই শেষ হয়েছে। আলোচনায় জটিল ছয়টি বিষয়ে মতপার্থক্যই এর প্রধান কারণ বলে জানিয়েছে কুয়েতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জারিদা।

ইরানি আলোচক দলের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, লেবানন ইস্যু থেকে শুরু করে পারমাণবিক কর্মসূচিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুই পক্ষের অবস্থান ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।

প্রথমত, লেবাননে হিজবুল্লাহসহ ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান বন্ধে তেহরান স্থায়ী যুদ্ধবিরতির দাবি তোলে। তবে যুক্তরাষ্ট্র জানায়, ইসরায়েলসহ তৃতীয় পক্ষের বিষয়ে তারা কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারবে না এবং এ বিষয়টি আলাদা আলোচনায় সমাধান করতে হবে।

দ্বিতীয়ত, নিষেধাজ্ঞার আওতায় জব্দ থাকা ইরানের অর্থ দ্রুত ছাড়ের দাবি জানায় তেহরান। কিন্তু ওয়াশিংটন এটিকে বৃহত্তর সমঝোতার অংশ হিসেবে বিবেচনা করতে চায় এবং নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সঙ্গে শর্ত জুড়ে দেয়।

তৃতীয়ত, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে মতবিরোধ আরও তীব্র হয়। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ এবং উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদেশে স্থানান্তরের প্রস্তাব দেয়। তবে ইরান এটিকে নিজেদের সার্বভৌমত্বের পরিপন্থী বলে সরাসরি নাকচ করে।

চতুর্থত, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন কর্মসূচি সীমিত করার মার্কিন প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করে তেহরান। তাদের মতে, এটি দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় হস্তক্ষেপের শামিল।

পঞ্চমত, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রস্তাব দিলেও ইরান তা নিজেদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা হিসেবে দাবি করে এবং এই প্রস্তাব গ্রহণে অনাগ্রহ দেখায়।

ষষ্ঠত, সাম্প্রতিক সংঘাতে ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণের প্রশ্নেও কোনো সমঝোতা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে ভবিষ্যতে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দেওয়ার প্রস্তাব দেয়।

সব মিলিয়ে এই ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে অনড় অবস্থানের কারণে আলোচনায় কোনো সমাধান আসেনি। ফলে কূটনৈতিক অগ্রগতি ছাড়াই বৈঠক শেষ হয়, যা সামনের দিনগুলোতে উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।

আরও পড়ুন