২১ জুন ২০২৬, রবিবার, ১৯:৫০

শিরোনাম
মামুনুল প্রসঙ্গের বক্তব্য মুছে দিলেন স্পিকার দেশে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ শনাক্ত ১,০৬৩ জনের মালয়েশিয়ার পথে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরের শেষে শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন: বিমানমন্ত্রী প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় বড় পরিবর্তন আনছে সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ, প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বগুড়ার ৩ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রোববার মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, এরপর চীন সফর
শিরোনাম
মামুনুল প্রসঙ্গের বক্তব্য মুছে দিলেন স্পিকার দেশে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ শনাক্ত ১,০৬৩ জনের মালয়েশিয়ার পথে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরের শেষে শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন: বিমানমন্ত্রী প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় বড় পরিবর্তন আনছে সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ, প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বগুড়ার ৩ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রোববার মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, এরপর চীন সফর

শিক্ষা অবকাঠামো ধ্বংসকে ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ বলল ইরান

শিক্ষা অবকাঠামো ধ্বংসকে ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ বলল ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৫ এপ্রিল, ২০২৬, ০২:০৫

সামরিক লক্ষ্যবস্তু না হওয়া সত্ত্বেও ইরানের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা কেন্দ্রগুলোতে পরিকল্পিতভাবে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের বিজ্ঞান, গবেষণা ও প্রযুক্তি মন্ত্রী হোসেন সিমাই সাররাফ জানিয়েছেন, যুদ্ধের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দেশটির ৩০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয় সরাসরি হামলার শিকার হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইএসএনএ এবং সিএনএন-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় তেহরানের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ শহীদ বেহেশতি বিশ্ববিদ্যালয়ের লেজার ও প্লাজমা গবেষণা কেন্দ্র এবং একটি ছাত্রীনিবাস মার্কিন-ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হোসেন সিমাই সাররাফ এই ঘটনাকে ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ এবং ‘পাথর যুগে’ ফিরে যাওয়ার শামিল বলে অভিহিত করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, কোনো সামরিক সংশ্লিষ্টতা না থাকলেও ইরানের বৈজ্ঞানিক ও সাংস্কৃতিক ভিত্তিকে দুর্বল করতে এই অসামরিক অবকাঠামোগুলোতে হামলা চালানো হচ্ছে। এর ফলে বর্তমানে লাখ লাখ শিক্ষার্থী শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

ইসরায়েলি পক্ষ দাবি করেছে যে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে বাধাগ্রস্ত করার বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই এই গবেষণা কেন্দ্রগুলোতে আঘাত হানা হয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র বরাবরের মতোই দাবি করছে যে তাদের বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায় না। তবে শহীদ বেহেশতি বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবরেটরি ও হোস্টেলে ধ্বংসযজ্ঞের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।

এই হামলার প্রতিক্রিয়ায় তেহরান অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়েছে। ইরান সরকার ও আইআরজিসি (IRGC) হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আঘাত হানার পাল্টা জবাব হিসেবে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় ও ক্যাম্পাসগুলোতে (যেমন কাতার বা আবুধাবিতে অবস্থিত পশ্চিমা ক্যাম্পাস) হামলা চালানো হবে।

আরও পড়ুন