১৭ জুন ২০২৬, বুধবার, ০৯:৩৩

শিরোনাম
আজ বুধবার মৌলভীবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষ্যে বন্ধ থাকবে মৌলভীবাজারের ৯২ চা বাগান চলতি মাসে আরও ৪ কার্গো এলএনজি আমদানি করবে সরকার প্রতিশোধের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মহররমের চাঁদ দেখা গেছে, ২৬ জুন আশুরা ফ্যামেলি কার্ড বিতরণে মৌলভীবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এমপিদের কক্ষ নির্মাণে ৬ লাখ বরাদ্দ নিয়ম না মানলে সংসদ চলবে না: স্পিকার
শিরোনাম
আজ বুধবার মৌলভীবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষ্যে বন্ধ থাকবে মৌলভীবাজারের ৯২ চা বাগান চলতি মাসে আরও ৪ কার্গো এলএনজি আমদানি করবে সরকার প্রতিশোধের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মহররমের চাঁদ দেখা গেছে, ২৬ জুন আশুরা ফ্যামেলি কার্ড বিতরণে মৌলভীবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এমপিদের কক্ষ নির্মাণে ৬ লাখ বরাদ্দ নিয়ম না মানলে সংসদ চলবে না: স্পিকার

কঙ্গোর খনিতে ভূমিধস, নিহত ২০০

কঙ্গোর খনিতে ভূমিধস, নিহত ২০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৫ মার্চ, ২০২৬, ১২:২৪

ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআরসি) নর্থ কিভু প্রদেশের রুবায়া অঞ্চলে একটি কলটান খনিতে ভূমিধসে ২০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে দেশটির খনি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। 

কঙ্গোর খনি মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ভারি বৃষ্টিপাতের পরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে প্রায় ৭০ জন শিশু রয়েছে। আহতদের নর্থ কিভুর রাজধানী গোমা শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে খনিটি নিয়ন্ত্রণকারী বিদ্রোহী গোষ্ঠী মার্চ ২৩ মুভমেন্ট (এম২৩) সরকারের দেওয়া তথ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

এম২৩-এর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ফ্যানি কাজ দাবি করেন, ঘটনাটি ভূমিধস নয়, বরং বোমা হামলার কারণে ঘটেছে এবং এতে মাত্র পাঁচজন নিহত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘মানুষ যা প্রকাশ করছে তা সঠিক নয়। এখানে কোনো ভূমিধস হয়নি, বোমা হামলা হয়েছে এবং মৃত্যুর সংখ্যাও অনেক কম।’

অন্যদিকে খনিতে কর্মরত শ্রমিক ইব্রাহিম তালুসেকে জানান, তিনি ঘটনাস্থল থেকে ২০০টির বেশি মরদেহ উদ্ধার করতে সহায়তা করেছেন। 

তিনি বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে বলেন, ‘আমরা ভীত, কিন্তু এখানে মানুষের জীবন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। খনির গর্তগুলোর মালিকেরা প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা প্রকাশ করতে দিচ্ছেন না।’

রুয়ান্ডা-সমর্থিত বিদ্রোহী জোট এএফসি (কঙ্গো রিভার অ্যালায়েন্স)/এম২৩-এর এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, ২০২৪ সাল থেকে তারা খনিটির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সেখানে খনন কার্যক্রম চালাতে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, সাম্প্রতিক কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিপাতই এই দুর্ঘটনার প্রধান কারণ।

এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারির শেষ দিকেও একই স্থানে ভারি বৃষ্টির পর খনি ধসে ২০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছিল। সে সময় কঙ্গোর কর্তৃপক্ষ বিদ্রোহীদের দায়ী করে বলেছিল, তারা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ছাড়াই অবৈধ খনন কার্যক্রম চালাতে দিচ্ছে।

রুবায়া খনি বিশ্বে উৎপাদিত কলটানের প্রায় ১৫ শতাংশ সরবরাহ করে। কলটান থেকে প্রাপ্ত ট্যানটালাম ধাতু মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, মহাকাশ প্রযুক্তির যন্ত্রাংশ এবং গ্যাস টারবাইনসহ বিভিন্ন উন্নত প্রযুক্তি পণ্যের উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।

আরও পড়ুন