১৭ জুন ২০২৬, বুধবার, ০৮:০৭

শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষ্যে বন্ধ থাকবে মৌলভীবাজারের ৯২ চা বাগান চলতি মাসে আরও ৪ কার্গো এলএনজি আমদানি করবে সরকার প্রতিশোধের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মহররমের চাঁদ দেখা গেছে, ২৬ জুন আশুরা ফ্যামেলি কার্ড বিতরণে মৌলভীবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এমপিদের কক্ষ নির্মাণে ৬ লাখ বরাদ্দ নিয়ম না মানলে সংসদ চলবে না: স্পিকার বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ এর উদ্বোধন
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষ্যে বন্ধ থাকবে মৌলভীবাজারের ৯২ চা বাগান চলতি মাসে আরও ৪ কার্গো এলএনজি আমদানি করবে সরকার প্রতিশোধের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মহররমের চাঁদ দেখা গেছে, ২৬ জুন আশুরা ফ্যামেলি কার্ড বিতরণে মৌলভীবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এমপিদের কক্ষ নির্মাণে ৬ লাখ বরাদ্দ নিয়ম না মানলে সংসদ চলবে না: স্পিকার বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ এর উদ্বোধন

প্যারোলে মায়ের জানাজায় রানা প্লাজার মালিক

প্যারোলে মায়ের জানাজায় রানা প্লাজার মালিক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২২:৫৭

প্যারোলে মুক্তি পেয়ে সাভারে এসে মায়ের জানাজায় অংশ নিয়েছেন ধসে পড়া ভবন রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানা। 

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সাভার পৌর এলাকার মাদরাসা মসজিদে আয়োজিত জানাজায় অংশ নেন তিনি। এ সময় সাভার মডেল থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সোহেল রানার মা মজিনা বেগম সাভার পৌর এলাকার বাজার রোড মহল্লার মৃত আব্দুল খালেকের স্ত্রী।

জানাজায় অংশ নিয়ে সোহেল রানা উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমার মায়ের জন্য সবাই দোয়া করবেন এবং আমার ভুলের জন্য আমাকে সবাই মাফ করে দেবেন।’

জানাজায় উপস্থিত তার চাচাতো ভাই জাহাঙ্গীর আলম জানান, মজিনা বেগম দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তিনি আরো জানান, জানাজায় অংশ নেওয়ার জন্য প্যারোলে মুক্তির আবেদন করলে শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে পুলিশ তাকে সাভারে নিয়ে আসে। জানাজা শেষে রাত সাড়ে ৭টার দিকে তাকে আবার কেরানীগঞ্জ কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সকালে সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত রানা প্লাজা ভবনটি ধসে পড়ে। এ ঘটনায় ১ হাজার ১৩৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আহত ও পঙ্গু হন প্রায় দুই হাজার শ্রমিক। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ২ হাজার ৪৩৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন