১৭ জুন ২০২৬, বুধবার, ০৬:০১

শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষ্যে বন্ধ থাকবে মৌলভীবাজারের ৯২ চা বাগান চলতি মাসে আরও ৪ কার্গো এলএনজি আমদানি করবে সরকার প্রতিশোধের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মহররমের চাঁদ দেখা গেছে, ২৬ জুন আশুরা ফ্যামেলি কার্ড বিতরণে মৌলভীবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এমপিদের কক্ষ নির্মাণে ৬ লাখ বরাদ্দ নিয়ম না মানলে সংসদ চলবে না: স্পিকার বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ এর উদ্বোধন
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষ্যে বন্ধ থাকবে মৌলভীবাজারের ৯২ চা বাগান চলতি মাসে আরও ৪ কার্গো এলএনজি আমদানি করবে সরকার প্রতিশোধের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মহররমের চাঁদ দেখা গেছে, ২৬ জুন আশুরা ফ্যামেলি কার্ড বিতরণে মৌলভীবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এমপিদের কক্ষ নির্মাণে ৬ লাখ বরাদ্দ নিয়ম না মানলে সংসদ চলবে না: স্পিকার বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ এর উদ্বোধন

সবচেয়ে খারাপ রিক্রুট ছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস : খালেদ মুহিউদ্দীন

সবচেয়ে খারাপ রিক্রুট ছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস : খালেদ মুহিউদ্দীন

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০০:১৮

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কাল নিয়ে সমালোচনা করে নিউইয়র্কভিত্তিক বাংলা দৈনিক ‘ঠিকানার প্রধান সম্পাদক  খালেদ মুহিউদ্দীন বলেছেন, ‘সবচেয়ে খারাপ রিক্রুটতো ছিলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।’

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) একটি টকশো অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। খালেদ মুহিউদ্দীনের এ বক্তব্য ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। 

আলোচনায় খালেদ মুহিউদ্দীন বলেন, সরকারের নীতিনির্ধারণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় ধারাবাহিকতার অভাব ছিল। তাঁর ভাষায়, ‘মাথা যদি ঠিক না থাকে, তাহলে নিচের দিকে সব জায়গায় সমস্যা হয়। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাজের মধ্যে আমি প্রচণ্ড ইনকনসিস্টেন্সি দেখছি। একটা কাজের মধ্যে ধারাবাহিকতা পাইনি।’

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত সরকারের কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কিছু হইলেই বলা হইছে আমলারা কথা শোনেনি। কিন্তু প্রশাসনকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সরকারেরই দায়িত্ব।’

তিনি আরো অভিযোগ করেন, কয়েকটি সিদ্ধান্তে ‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট’-এর প্রশ্ন উঠেছে। তাঁর দাবি, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা থাকা উচিত ছিল। এসময় বিদেশ সফর প্রসঙ্গেও সমালোচনা করেন খালেদ মুহিউদ্দীন।

তিনি বলেন, ‘একজন সরকার প্রধানের বিদেশে গিয়ে একটি রাজনৈতিক দলের প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করা কতটা যৌক্তিক—সেই প্রশ্ন আছে।’

আরও পড়ুন