১৭ জুন ২০২৬, বুধবার, ১৬:০১

শিরোনাম
দেশে প্রথমবার ফ্রি ট্রেড জোন গঠনের সিদ্ধান্ত, জানালেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব আজ বুধবার মৌলভীবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষ্যে বন্ধ থাকবে মৌলভীবাজারের ৯২ চা বাগান চলতি মাসে আরও ৪ কার্গো এলএনজি আমদানি করবে সরকার প্রতিশোধের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মহররমের চাঁদ দেখা গেছে, ২৬ জুন আশুরা ফ্যামেলি কার্ড বিতরণে মৌলভীবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এমপিদের কক্ষ নির্মাণে ৬ লাখ বরাদ্দ
শিরোনাম
দেশে প্রথমবার ফ্রি ট্রেড জোন গঠনের সিদ্ধান্ত, জানালেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব আজ বুধবার মৌলভীবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষ্যে বন্ধ থাকবে মৌলভীবাজারের ৯২ চা বাগান চলতি মাসে আরও ৪ কার্গো এলএনজি আমদানি করবে সরকার প্রতিশোধের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মহররমের চাঁদ দেখা গেছে, ২৬ জুন আশুরা ফ্যামেলি কার্ড বিতরণে মৌলভীবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এমপিদের কক্ষ নির্মাণে ৬ লাখ বরাদ্দ

সম্পদের হিসাব দিলেন প্রেস সচিব

সম্পদের হিসাব দিলেন প্রেস সচিব

প্রতিফলন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১৮:০৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী দলের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের মধ্যে দিয়ে দায়িত্ব ছাড়বেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও তাদের কর্মকর্তারা। আর দায়িত্ব ছাড়ার প্রাক্কালে নিজের সম্পদ ও আর্থিক অবস্থার হিসাব প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। 

তিনি জানিয়েছেন, দায়িত্ব নেওয়ার সময় যে সম্পদের ঘোষণা দিয়েছিলেন, দায়িত্ব ছাড়ার দিনেও তাতে কোনো পরিবর্তন হয়নি। কোনো সম্পদ বাড়েনি।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

শফিকুল আলম জানান, গত বছরের জানুয়ারিতে তিনি তার সম্পদ ও আয় সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই ঘোষণায় তিনি উল্লেখ করেছিলেন, ঢাকার শাহীনবাগে তার একটি ফ্ল্যাট রয়েছে এবং পিতার কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া যাত্রাবাড়ীর দনিয়ায় আরও একটি ফ্ল্যাট আছে। এ ছাড়া, ময়মনসিংহে তার নামে একটি এবং তার স্ত্রীর নামে একটি অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে। গ্রামের বাড়ি মাগুরায় তার মালিকানায় রয়েছে ৪০ শতাংশ কৃষিজমি।

তিনি বলেন, আজ দায়িত্ব ছাড়ার সময়ও আমার সম্পত্তির অবস্থান একই আছে। আমি তিনটি ফ্ল্যাটের মালিক, আমার স্ত্রী একটি ফ্ল্যাটের মালিক, এবং কৃষিজমির মালিকানাতেও কোনো পরিবর্তন হয়নি।

ব্যাংক হিসাব সম্পর্কে তিনি জানান, তার নামে একটি মাত্র ব্যাংক হিসাব রয়েছে, যা একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে। দায়িত্ব নেওয়ার সময় ওই হিসাবে জমা ছিল ১ কোটি ১৪ লাখ টাকা। বর্তমানে সেই হিসাবের স্থিতি ১ কোটি ২৩ লাখ টাকা। এই বাড়তি ৯ লাখ টাকার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে শফিকুল আলম বলেন, এর মধ্যে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা এসেছে তার শ্যালকের কাছ থেকে, যিনি আগে তার কাছ থেকে ধার নিয়েছিলেন এবং পরে তা ফেরত দিয়েছেন। এছাড়া তার বড় ভাই ২ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন, যা রমজান মাসে দরিদ্র গ্রামবাসীদের মধ্যে বিতরণের জন্য দেওয়া হয়েছিল।

এই অর্থের সব উৎস স্পষ্ট এবং যাচাইযোগ্য জানিয়ে শফিকুল আলম বলেন, আমার আর্থিক লেনদেন ও সম্পদের বিষয়ে কেউ অনুসন্ধান করতে চাইলে আমি স্বাগত জানাই।

তিনি রসিকতা করে বলেন, তার সেই ‘নকল বারবারি মাফলার’টিও এখনও তার কাছেই আছে।

আরও পড়ুন