রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আজ শুক্রবারই পদত্যাগ করতে পারেন বলে গুঞ্জন
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৪ জুলাই, ২০২৬, ০৯:৩৮
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আজ শুক্রবারই পদত্যাগ করতে পারেন এমন আলোচনা রাজনৈতিক অঙ্গনে জোরালো হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, সরকার বা সংশ্লিষ্ট কোনো কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।
বঙ্গভবনের একটি সূত্রের দাবি, রাষ্ট্রপতি যেকোনো সময় পদত্যাগ করতে পারেন। আরেকটি সূত্র জানায়, পদত্যাগপত্র প্রস্তুত রয়েছে এবং আজ বিকেলে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে তা জমা দেওয়া হতে পারে। একই সময়ে নির্ধারিত সূচির দুই দিন আগে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের দেশে ফেরাকেও এ আলোচনার সঙ্গে যুক্ত করে দেখা হচ্ছে।
রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগের গুঞ্জনের মধ্যেই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হতে পারেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় সূত্রগুলোর দাবি, বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে। দল ও সরকারের কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হিসেবেও তাঁর নাম বিবেচনায় রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়।
তবে এসব আলোচনা নাকচ করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ সম্পর্কে তাঁর কিছু জানা নেই। তাঁর ভাষায়, ‘এসব গুজব।’
দলীয় সূত্রগুলোর ভাষ্য, মির্জা ফখরুল ছাড়াও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খানের নাম আলোচনায় রয়েছে। দলের বাইরে অরাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহর নামও বিবেচনায় রয়েছে বলে একটি সূত্র দাবি করেছে।
এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বাইরে অবস্থান করে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, এসব সংবাদের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। তাঁর ভাষায়, ‘এগুলো গল্পকাহিনি। পৃথিবী এখন এত ছোট হয়ে গেছে যে ফোন করার জন্য লন্ডন যেতে হয় না।’
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি চাইলে স্বাস্থ্যগত বা অন্য যেকোনো কারণে পদত্যাগ করতে পারেন। তবে এ বিষয়ে সরকারের কাছে কোনো তথ্য নেই। তিনি বলেন, ‘গুঞ্জন তো গুঞ্জনই। ঘটনা যদি হয়, তখন দেখা যাবে।’
এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, তিনি রাজনীতিতেই আছেন এবং দল বা দেশ সংকটে পড়লে আগের মতোই ভূমিকা রাখবেন।
অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, নতুন রাষ্ট্রপতি কে হবেন, সে বিষয়ে তাঁর কোনো মন্তব্য নেই। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।
সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারেন। আর ৫৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, পদত্যাগ, মৃত্যু বা অপসারণের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে।
আরও পড়ুন
- • রাষ্ট্রপতির পদত্যেগের ইস্যুতে বিকেল ৫টায় জরুরি সংবাদ সম্মেলন
- • ২৪ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে আসছেন চীনের প্রেসিডেন্ট: ট্রাম্প
- • গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে ছাত্রদলের ২ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা
- • কাতারের আমিরকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি
- • অতিরিক্ত মাদকসেবনের ফলে লন্ডনের বিলাসবহুল হোটেলে সৌদি যুবরাজের মৃত্যু
- • রাষ্ট্রপতি পদে আলোচনায় আছেন বিএনপির সম্ভাব্য সিনিয়র ৩ নেতা
- • এশিয়ান গেমসে সরাসরি নকআউটে বাংলাদেশ
- • নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন সেপ্টেম্বরের সংসদ অধিবেশনে
- • প্রধানমন্ত্রীর মুখে মধু হলেও অন্তরে ছলনা: নাহিদ ইসলাম
- • ঢাকায় আরও ৫০ জায়গায় ট্রাফিক লাইট চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- • কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সর্ববৃহৎ ঘাঁটিতে ইরানের হামলা
- • পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে সন্ত্রাসী হামলায় ৪৫ সেনা নিহত
- • চলমান যুদ্ধে প্রথমবারের মতো সিরিয়ায় হামলা চালাল ইরান
- • সন্ধ্যার মধ্যে ৭টি অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস
- • নাগরিক সেবায় ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপ চালু
- • সমঝোতা চুক্তি 'স্থগিত' ঘোষণা করল ইরান
- • মার্কিন এলইউসিএএস ড্রোন ভূপাতিত করল ইরান
- • সিরিজ বাঁচানোর মিশনে টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ
