২৪ জুন ২০২৬, বুধবার, ১৮:৩৩

শিরোনাম
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৭ জুনে এ পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স এল ২২৩ কোটি ডলার ৪ কোটি লিটার ভোজ্যতেল ও ২২ হাজার ৫০০ টন মসুর ডাল কেনার অনুমোদন স্পিকারের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ব্যাংক খাতের সংস্কারে ৪৫ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক সাড়ে ৭ লাখ যুবককে প্রশিক্ষণ দেবে সরকার দেশে ফিরছেন ৬৪,১৬৩ জন বাংলাদেশি হাজি জুয়া-ফিক্সিংয়ে কঠোর আইন, সংসদে বিল
শিরোনাম
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৭ জুনে এ পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স এল ২২৩ কোটি ডলার ৪ কোটি লিটার ভোজ্যতেল ও ২২ হাজার ৫০০ টন মসুর ডাল কেনার অনুমোদন স্পিকারের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ব্যাংক খাতের সংস্কারে ৪৫ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক সাড়ে ৭ লাখ যুবককে প্রশিক্ষণ দেবে সরকার দেশে ফিরছেন ৬৪,১৬৩ জন বাংলাদেশি হাজি জুয়া-ফিক্সিংয়ে কঠোর আইন, সংসদে বিল

ব্যাংক খাতের সংস্কারে ৪৫ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

ব্যাংক খাতের সংস্কারে ৪৫ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৪ জুন, ২০২৬, ১৭:১৫

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতকে আরও শক্তিশালী করতে ৪৫ কোটি ডলার অর্থায়নের অনুমোদন দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধার এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য শক্তিশালী ব্যাংকিং খাত গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এ সহায়তা দেয়া হচ্ছে।

বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালনা পর্ষদ আর্থিক খাত সহায়তা প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপের আওতায় এই অর্থায়নের অনুমোদন দেয়। এর লক্ষ্য হলো ক্ষুদ্র আমানতকারীদের সুরক্ষায় আমানত সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি সক্ষমতা ও ব্যবস্থাপনা উন্নত করা।

বিশ্বব্যাংক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এই প্রকল্প ব্যাংক পুনর্গঠন এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক সংস্কারের ভিত্তি তৈরিতে সহায়তা করবে।

প্রকল্পের আওতায় আমানত সুরক্ষা তহবিলের মূলধন বাড়ানো হবে। পাশাপাশি আমানত সুরক্ষা ব্যবস্থা উন্নয়ন, কার্যকর জরুরি তারল্য সহায়তা কাঠামো গঠন, ব্যাংক পুনর্গঠন কৌশল প্রণয়ন এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক সংস্কারেও সহায়তা দেওয়া হবে।

বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, দুর্বল করপোরেট সুশাসন, নিয়ন্ত্রক সংস্থার ওপর প্রভাব বিস্তার এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষকে ঋণ প্রদানের কারণে দেশের ব্যাংক খাত নানা চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে।

চলতি বছরের মার্চের শেষে খেলাপি ঋণের হার দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ৬ শতাংশ, যা দক্ষিণ এশিয়ার ব্যাংকগুলোর গড় ৭ দশমিক ৯ শতাংশের তুলনায় অনেক বেশি। এছাড়া ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের বিপরীতে মূলধনের অনুপাত ছিল ঋণাত্মক ২ দশমিক ৬ শতাংশ।

বাংলাদেশ ও ভুটানের জন্য বিশ্বব্যাংকের বিভাগীয় পরিচালক জ্যাঁ পেসমে বলেন, ‘এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পৌঁছানোর বাংলাদেশের লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি স্থিতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থিক খাত প্রয়োজন। কিন্তু মোট আর্থিক খাতের সম্পদের প্রায় ৯০ শতাংশ ধারণকারী ব্যাংক খাত বর্তমানে ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই প্রকল্প ক্ষুদ্র আমানতকারীদের সুরক্ষা, ব্যাংক খাতে আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ব্যাংক খাতকে সহায়তা করার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, ব্যবস্থা ও সুরক্ষা কাঠামো গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।’

প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি অবকাঠামো আধুনিকায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে বাড়তে থাকা সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলা এবং খাতজুড়ে তথ্য ও বিশ্লেষণসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘাটতি পূরণ করা হবে।

বিশ্বব্যাংকের মতে, এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ঝুঁকি পর্যবেক্ষণ, তথ্যনির্ভর ও ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি এবং আর্থিক খাতের স্থিতিস্থাপকতা বাড়বে।

বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ আর্থিক খাত বিশেষজ্ঞ ও প্রকল্পটির টাস্ক টিম লিডার তোশিয়াকি ওনো বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকসহ উন্নয়ন সহযোগীদের সমন্বিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই প্রকল্প ব্যাংক খাতের সংকট মোকাবিলার প্রস্তুতি জোরদার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।’

প্রতিফলন/টিএস 

আরও পড়ুন