০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২২:০৫

শিরোনাম
৭৫ ইউনিট পর্যন্ত গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের পুরোনো দাম বহাল বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিক্ষাখাতের বাজেটে থাকছে সর্বোচ্চ বরাদ্দ : শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২
শিরোনাম
৭৫ ইউনিট পর্যন্ত গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের পুরোনো দাম বহাল বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিক্ষাখাতের বাজেটে থাকছে সর্বোচ্চ বরাদ্দ : শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২

প্যারোলে মায়ের জানাজায় রানা প্লাজার মালিক

প্যারোলে মায়ের জানাজায় রানা প্লাজার মালিক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২২:৫৭

প্যারোলে মুক্তি পেয়ে সাভারে এসে মায়ের জানাজায় অংশ নিয়েছেন ধসে পড়া ভবন রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানা। 

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সাভার পৌর এলাকার মাদরাসা মসজিদে আয়োজিত জানাজায় অংশ নেন তিনি। এ সময় সাভার মডেল থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সোহেল রানার মা মজিনা বেগম সাভার পৌর এলাকার বাজার রোড মহল্লার মৃত আব্দুল খালেকের স্ত্রী।

জানাজায় অংশ নিয়ে সোহেল রানা উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমার মায়ের জন্য সবাই দোয়া করবেন এবং আমার ভুলের জন্য আমাকে সবাই মাফ করে দেবেন।’

জানাজায় উপস্থিত তার চাচাতো ভাই জাহাঙ্গীর আলম জানান, মজিনা বেগম দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

তিনি আরো জানান, জানাজায় অংশ নেওয়ার জন্য প্যারোলে মুক্তির আবেদন করলে শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে পুলিশ তাকে সাভারে নিয়ে আসে। জানাজা শেষে রাত সাড়ে ৭টার দিকে তাকে আবার কেরানীগঞ্জ কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সকালে সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত রানা প্লাজা ভবনটি ধসে পড়ে। এ ঘটনায় ১ হাজার ১৩৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আহত ও পঙ্গু হন প্রায় দুই হাজার শ্রমিক। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ২ হাজার ৪৩৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন