২৩ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ০০:৩৭

শিরোনাম
চার দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেশী ভারতের সাথে 'ডিভোর্স' হতে পারে না: জিএম সিরাজ চীন সফরে ২৪টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার আলোচনা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে তুরস্কের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খোলার সম্ভাবনা কম ঢাকায় রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের ব্যাখ্যা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা প্রধানমন্ত্রীর
শিরোনাম
চার দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেশী ভারতের সাথে 'ডিভোর্স' হতে পারে না: জিএম সিরাজ চীন সফরে ২৪টি জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার আলোচনা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে তুরস্কের সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খোলার সম্ভাবনা কম ঢাকায় রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত ৬ জেলায় সেনা মোতায়েনের ব্যাখ্যা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা প্রধানমন্ত্রীর

ভিসা ইস্যুতে সিস্টেমের দায় দেখছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

ভিসা ইস্যুতে সিস্টেমের দায় দেখছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রতিফলন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০১:২৯

বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা না পাওয়ার বিষয়ে দেশীয় অব্যবস্থাপনা ও জালিয়াতিকেই দায়ী করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, “আমরা যতক্ষণ ঘর না গোছাব, এই সমস্যার সমাধান হবে না। আরও দুঃসময়ও আসতে পারে।” বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ভিসা জটিলতার দায়ভার প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, “বাংলাদেশি নাগরিকদের যে ভিসা দেওয়া হচ্ছে না, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হিসেবে এই দায় স্বীকার করতে রাজি না আমি। এটা দেশের দায়, পুরো সিস্টেমের দায়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েরও না, ব্যক্তিগতভাবে আমারও না।” তিনি আরও বলেন, “পৃথিবীজুড়ে প্রচুর সুযোগ আছে। আমরা তা নিজেদের দোষে ব্যবহার করতে পারছি না। ভিসা দেয় না, এর জন্য সম্পূর্ণভাবে আমরা দায়ী। প্রধান উপদেষ্টা নিজেই বলেছেন, জালিয়াতিতে আমরা একেবারে সেরা।”

কাগজপত্রের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তৌহিদ হোসেন বলেন, “আপনি যখন জালিয়াতি করবেন, তখন আপনার কাগজ কেন বিশ্বাস করবে? ভিসা বলুন, অ্যাডমিশন বলুন, সবকিছু কাগজের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। কাগজ দেখে বিশ্বাস করানোর দায়িত্ব আমাদের। যদি দেখা যায়, কোনো মহিলা কোনো দেশে মেইডের চাকরি করতে গেছেন, কিন্তু তার ভিসা হলো ফ্রন্ট অফিস ম্যানেজার হিসেবে। চিন্তা করুন যে, আমরা কী পরিমাণ ধাপ্পাবাজি করেছি।”

অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদের শেষ সময়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সই হওয়া চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমি উল্টোটা মনে করি। আমি মনে করি আমরা অনেক ইস্যু এগিয়ে দিচ্ছি, যাতে পরবর্তী সরকারের জন্য কাজ করা সহজ হয়।”

আরও পড়ুন