২৭ জুন ২০২৬, শনিবার, ০০:৫৮

শিরোনাম
কূটনৈতিক সফর শেষে দেশে ফিরলেন তারেক রহমান সফর শেষে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী নিত্যপণ্যের দামে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ১৭ সমঝোতা স্মারক সই সর্বোচ্চ জাকাত সংগ্রহকারী নির্বাচিত হলেন ডিসি ফরিদা খানম এনসিপিসহ ৭ দলকে ইসির শোকজ আশুরার শিক্ষা শান্তি ও ন্যায়ের পথ দেখায়: প্রধানমন্ত্রী ১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা সরকারের: অর্থমন্ত্রী
শিরোনাম
কূটনৈতিক সফর শেষে দেশে ফিরলেন তারেক রহমান সফর শেষে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী নিত্যপণ্যের দামে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ১৭ সমঝোতা স্মারক সই সর্বোচ্চ জাকাত সংগ্রহকারী নির্বাচিত হলেন ডিসি ফরিদা খানম এনসিপিসহ ৭ দলকে ইসির শোকজ আশুরার শিক্ষা শান্তি ও ন্যায়ের পথ দেখায়: প্রধানমন্ত্রী ১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা সরকারের: অর্থমন্ত্রী

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তিচুক্তিতে ক্ষুব্ধ ইসরাইল

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তিচুক্তিতে ক্ষুব্ধ ইসরাইল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬ জুন, ২০২৬, ১৫:২১

যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-এর মধ্যে সমঝোতা চুক্তির ঘোষণার পর ইসরাইল জুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তান রোববার (১৪ জুন) এ ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই ইসরাইলি রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া শুরু হয়।

শাহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তিচুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বলেন, এই চুক্তিতে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে সামরিক অভিযান ‘তাৎক্ষণিক ও স্থায়ীভাবে বন্ধ’ করার বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তিনি আরও জানান, আলোচনায় তুরস্ক, কাতার ও সৌদি আরব ভূমিকা রেখেছে এবং চুক্তিটি শুক্রবার সুইজারল্যান্ড-এ স্বাক্ষরিত হবে।

পরে ডোনাল্ড ট্রাম্প চুক্তিটিকে ‘সম্পূর্ণ’ বলে উল্লেখ করেন। অন্যদিকে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘিরাবাবাদি জানান, ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত স্বাক্ষর হবে।

চুক্তি মানতে বাধ্য নয় ইসরাইল

ইসরাইলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা এই চুক্তির শর্ত মানতে বাধ্য নয়। একই সময়ে দক্ষিণ লেবানন-এ একাধিক হামলা চালায় ইসরাইলি বাহিনী।

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নাকি ট্রাম্পকে জানিয়েছেন, ইসরাইল এই চুক্তির দ্বারা বাধ্য নয় এবং লেবানন সংক্রান্ত কোনো শর্তও মানবে না।

ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ বলেন, ইসরাইলি সেনারা লেবানন, সিরিয়া ও গাজা-তে ‘নিরাপত্তা জোনে’ অনির্দিষ্টকাল অবস্থান করবে।

ইসরাইলি নেতাদের কড়া প্রতিক্রিয়া

ইসরাইলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ বলেন, এই চুক্তি ইসরাইল ও ‘সমগ্র মুক্ত বিশ্বের জন্য খারাপ’।

জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতেমার বেন গাভির বলেন, “ট্রাম্পের চুক্তি আমাদের জন্য বাধ্যতামূলক নয়। ইসরাইল কোনো অধীন রাষ্ট্র নয়।”

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী মিকি জোহার বলেন, ইসরাইল কেবল তখনই ব্যবস্থা নেবে যখন তার নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে।

মিডিয়া ও বিশ্লেষকদের সমালোচনা

ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১৪ নিউজ-এর সাংবাদিক ইনন মাগাল দাবি করেন, ইরান ও লেবাননের যুদ্ধে ইসরাইলকে একা ফেলে দেওয়া হয়েছে। তিনি ট্রাম্প ও মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স-এর কঠোর সমালোচনা করেন।

এদিকে ইসরাইল ডিফেন্স অ্যান্ড সিকিউরিটি ফোরাম (আইডিএসএফ) এক বিবৃতিতে বলেছে, ইরানের সঙ্গে যেকোনো চুক্তিই শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হবে।

বিরোধীদের সমালোচনা

ইসরাইলের বিরোধী নেতা ইয়ার গোলান বলেন, এই চুক্তির ফলে ইসরাইল আরও দুর্বল অবস্থানে পড়েছে।

সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকট বলেন, এই চুক্তি ইসরাইলের নিরাপত্তা উদ্বেগ সমাধানে ব্যর্থ হয়েছে।

আর সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট মন্তব্য করেন, বর্তমান সরকার ইসরাইলকে যুদ্ধ ও অস্থিরতার দিকে ঠেলে দিয়েছে।

 

 

প্রতিফলন/রাশ

আরও পড়ুন