০৫ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ০০:২২

শিরোনাম
কৃষিকে জলবায়ু-সহিষ্ণু করতে সমন্বিত পরিকল্পনার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের পুরোনো দাম বহাল বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিক্ষাখাতের বাজেটে থাকছে সর্বোচ্চ বরাদ্দ : শিক্ষামন্ত্রী
শিরোনাম
কৃষিকে জলবায়ু-সহিষ্ণু করতে সমন্বিত পরিকল্পনার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত গ্রাহকদের জন্য বিদ্যুতের পুরোনো দাম বহাল বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিক্ষাখাতের বাজেটে থাকছে সর্বোচ্চ বরাদ্দ : শিক্ষামন্ত্রী

অসুস্থ শিশুকে নামিয়ে অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করলেন কর্মকর্তা

অসুস্থ শিশুকে নামিয়ে অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করলেন কর্মকর্তা

প্রতিফলন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০০:১৬

মাগুরার শ্রীপুরে কীটনাশক পান করা সাত বছর বয়সী এক অসুস্থ শিশুকে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) ডা. আশরাফুজ্জামান লিটনের বিরুদ্ধে।

গতকাল সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ অমানবিক ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী শিশু আফিয়া খাতুন (৭) মাগুরা সদর উপজেলার শেখপাড়া গ্রামের ইলিয়াস আলীর মেয়ে।

স্বজনরা জানান, সোমবার সকালে মামার বাড়িতে খেলার ছলে কৃষিজমিতে ব্যবহৃত কীটনাশক খেয়ে ফেলে আফিয়া। গুরুতর অবস্থায় তাকে দ্রুত শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য মাগুরা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়। স্বজনরা সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে শিশুকে তুললেও মাঝপথে চালক তাদের নামিয়ে দেন। চালকের দাবি, টিএইচও জরুরি কাজে অ্যাম্বুলেন্সটি ব্যবহার করবেন বলে রোগীকে অন্য যানবাহনে যেতে বলেছেন। পরে এক প্রকার বাধ্য হয়েই মুমূর্ষু শিশুটিকে ইজিবাইকে করে মাগুরা হাসপাতালে নিয়ে যান স্বজনরা।

এ বিষয়ে ডা. আশরাফুজ্জামান লিটন সাংবাদিকদের বলেন, "মাগুরা সদর হাসপাতাল খুব দূরে নয়, তাই বিকল্পভাবে যেতে বলা হয়েছে। আমার সরকারি গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ দুই বছর ধরে বন্ধ থাকায় প্রশাসনিক কাজে হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সটি ব্যবহার করতে হয়।"

মাগুরার সিভিল সার্জন ডা. মো. শামীম কবির এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "অসুস্থ শিশুকে কোনোভাবেই অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামানো উচিত হয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সালেক মূহিদ জানান, বিষয়টি জেলা কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতে রোগীদের সেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন