০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২১:৩২

শিরোনাম
বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিক্ষাখাতের বাজেটে থাকছে সর্বোচ্চ বরাদ্দ : শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
শিরোনাম
বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিল সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিক্ষাখাতের বাজেটে থাকছে সর্বোচ্চ বরাদ্দ : শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

থাপ্পড়ের পর এবার লাঠি হাতে কালীগঞ্জ ইউএনও

থাপ্পড়ের পর এবার লাঠি হাতে কালীগঞ্জ ইউএনও

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১৯:১১

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহানের মোটরসাইকেলচালককে থাপ্পড় দেওয়ার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে এবার পাম্পে লাঠি হাতে তার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি গত মঙ্গলবারের বলে জানা গেছে। উপজেলার ভুল্যারহাট এলাকায় অবস্থিত ‘মোজাহার ফিলিং স্টেশনে’ ইউএনও শামীমা আক্তার জাহানকে হাতে লাঠি নিয়ে তদারকি করতে দেখা যায়।

ভাইরাল ভিডিওতে তার মারমুখী অবস্থান এবং সাধারণ মানুষের সাথে অপেশাদার আচরণের দৃশ্য দেখে স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এর আগে, গত বুধবার বিকেলে চাপারহাট বাজারের ‘লুবানা ফিলিং স্টেশনে’ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে আসা নদী (১৮) নামে এক গ্যারেজ কর্মচারীকে থাপ্পড় মারার অভিযোগ উঠে ইউএনওর বিরুদ্ধে।

অভিযোগকারী নদী বলেন, “আমি গ্যারেজ মেকানিক। মালিকের কথায় অসুস্থ এক শিক্ষকের কার্ড ও টাকা নিয়ে তেল নিতে লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম। ইউএনও কার্ড চেক করার সময় কোনো কথা না বলেই আমাকে কয়েকটি থাপ্পড় মারেন। আমি কোনো অন্যায় করিনি, বিনা অপরাধে আমাকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে ইউএনও শামীমা আক্তার জাহানের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করেন এই প্রতিবেদক। এ সময় তিনি থাপ্পড় দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন।

শামীমা আক্তার জাহান বলেন, “আমি শুধু তার গাড়ির চাবি নিয়েছিলাম, গায়ে হাত তুলিনি। সম্ভবত তার কাছে সঠিক কার্ড ছিল না। নিয়ম না মেনে লাইনে দাঁড়ানোর কারণে চাবি নিয়ে পরে অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছিল। পরবর্তীতে তার অভিভাবকরা এলে চাবি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।”

লাঠি হাতে পাম্পে তদারকির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো কথা না বলে কলটি কেটে দেন।

লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) রাশেদুল হক প্রধান বলেন, “ইউএনওর আচরণ ও ভাইরাল ভিডিওগুলোর বিষয় সম্পর্কে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।”

আরও পড়ুন