২২ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ১৮:৩১

শিরোনাম
বিদ্যুৎ খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ চায় সরকার দেশে জ্বালানি তেলের সংকট নেই, গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান সরকারের মৃত্যুর ২৫ বছর পর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে ঠাঁই পেল আহমদ ছফার দেহাবশেষ ম্যানিলায় চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা ইউনিয়ন পরিষদ  চেয়ারম্যান পদে শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে স্নাতক, রুল জারি করেছে হাইকোর্ট
শিরোনাম
বিদ্যুৎ খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ চায় সরকার দেশে জ্বালানি তেলের সংকট নেই, গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান সরকারের মৃত্যুর ২৫ বছর পর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে ঠাঁই পেল আহমদ ছফার দেহাবশেষ ম্যানিলায় চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা ইউনিয়ন পরিষদ  চেয়ারম্যান পদে শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে স্নাতক, রুল জারি করেছে হাইকোর্ট

শেখ হাসিনার ট্রাইব্যুনাল রায়: আন্তর্জাতিক মান লঙ্ঘনের অভিযোগ

শেখ হাসিনার ট্রাইব্যুনাল রায়: আন্তর্জাতিক মান লঙ্ঘনের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০১ এপ্রিল, ২০২৬, ১৮:৫৪

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) দেওয়া রায়কে অবৈধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি বলে দাবি করেছে লন্ডনভিত্তিক প্রখ্যাত আইনি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান কিংসলি ন্যাপলি এলএলপি। গত ৩০ মার্চ ট্রাইব্যুনাল বরাবর ই-মেইলে পাঠানো এক চিঠিতে এই বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। সংবাদ মাধ্যম বাংলা ট্রিবিউন এই খবর প্রচার করেছে।

বুধবার (১ এপ্রিল) ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন বা রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে চিঠি পাওয়ার বিষয়টি এখনও নিশ্চিত করা হয়নি।

আইনি চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে বিচার করে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা ন্যায্য বিচার ও আন্তর্জাতিক আইনি মানদণ্ডের সঙ্গে পুরোপুরি অসঙ্গতিপূর্ণ। এতে আসামির আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ, অভিযোগ সম্পর্কে অবহিতকরণ এবং পছন্দের আইনজীবী পাওয়ার মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়। চিঠিতে আরও বলা হয়, ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও প্রসিকিউশন উভয় ক্ষেত্রেই রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব বিদ্যমান ছিল, যা বিচারিক স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

লন্ডনের ওই ল’ ফার্মের দাবি, ২০২৪ সালের ঘটনাবলিকে আইসিটির এখতিয়ারে এনে বিচার করা মূল আইনের উদ্দেশ্যের বাইরে এবং আইনের ভূতাপেক্ষ প্রয়োগের শামিল। এ ধরনের অভিযোগ সাধারণ ফৌজদারি আদালতেই বিচার হওয়া উচিত ছিল। চিঠিতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্ধৃতি দিয়ে সতর্ক করা হয়েছে যে, প্রতিরক্ষা ও সাক্ষ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের সুযোগহীন এই বিচার শেষে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে তা ‘সামারি এক্সিকিউশন’ বা অগ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

চিঠিতে শেখ হাসিনার রায় বাতিল, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না করা এবং ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে বিচার পরিচালনার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট আইনজীবী ও ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিও তোলা হয়। আইনি প্রতিনিধিরা আগামী ১৪ দিনের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের প্রতিক্রিয়া জানতে চেয়েছেন এবং সন্তোষজনক জবাব না পেলে বিষয়টি আন্তর্জাতিক ফোরামে নিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

আরও পড়ুন