২২ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ১৫:৫১

শিরোনাম
ম্যানিলায় চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা ইউনিয়ন পরিষদ  চেয়ারম্যান পদে শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে স্নাতক, রুল জারি করেছে হাইকোর্ট প্রবাসীদের ভোটব্যবস্থা নিয়ে আজ বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স রেমিট্যান্সে শক্তিশালী সূচনা, ২০ দিনেই আসলো ২ বিলিয়ন ডলার
শিরোনাম
ম্যানিলায় চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা ইউনিয়ন পরিষদ  চেয়ারম্যান পদে শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে স্নাতক, রুল জারি করেছে হাইকোর্ট প্রবাসীদের ভোটব্যবস্থা নিয়ে আজ বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স রেমিট্যান্সে শক্তিশালী সূচনা, ২০ দিনেই আসলো ২ বিলিয়ন ডলার

বেনাপোল বন্দরে জলাবদ্ধতা: হাঁটুপানিতে নষ্ট হচ্ছে আমদানি পণ্য

বেনাপোল বন্দরে জলাবদ্ধতা: হাঁটুপানিতে নষ্ট হচ্ছে আমদানি পণ্য

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫১

একদিনের টানা বৃষ্টিতে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলের বিভিন্ন শেডে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। পাঁচটি শেডে পানি ঢুকে তলিয়ে গেছে বিভিন্ন ধরনের আমদানিকৃত পণ্য। এতে কোটি কোটি টাকার মালামাল ক্ষতির মুখে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাত থেকে এ অঞ্চলে বিরামহীন বৃষ্টি হচ্ছে। একটানা বৃষ্টির কারণে বেনাপোল বন্দরের ৩ নম্বর গেটের সামনে থাকা পাঁচটি শেডে পানি জমে যায়। কোথাও কোথাও হাঁটুপানি জমেছে। বর্তমানে পাওয়ার পাম্প দিয়ে পানি নিষ্কাশনের চেষ্টা চলছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ ও ব্যবহারকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

বন্দর ব্যবহারকারীরা অভিযোগ করে বলেন, দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দরে শেড, ইয়ার্ডসহ বিভিন্ন অবকাঠামো থাকলেও নাজুক ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই শত শত কোটি টাকার পণ্য পানিতে তলিয়ে যায়।

বেনাপোল কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক লতা বলেন, স্থানীয় বন্দর ব্যবহারকারী সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে অব্যবস্থাপনার বিষয়টি তুলে ধরলেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বীমা না থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত হলে বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকেও কোনো ক্ষতিপূরণ পাওয়া যায় না।

তিনি আরও বলেন, পানি নিষ্কাশনের বিষয়ে কমিটি গঠন করা হলেও তা কার্যকর হয়নি। গত বছরের বর্ষায় কিছুদিন তৎপরতা দেখা গেলেও পরে স্থায়ী কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

বেনাপোল বন্দরের ব্যবসায়ী আলহাজ মতিয়ার রহমান বলেন, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বন্দরে চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে। কয়েকটি পণ্যাগারে পানি ঢুকে লাখ লাখ টাকার মালামাল নষ্ট হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, প্রতিবছর বন্দরের বিভিন্ন খাতে খরচ ও ভাড়া বাড়লেও অবকাঠামোগত উন্নয়নে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হচ্ছে না। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ছাড়া নির্মাণকাজ হওয়ায় বৃষ্টির সময় বারবার জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে।

বেনাপোল আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক আনু বলেন, অপরিকল্পিত উন্নয়ন ও দুর্বল পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার কারণেই এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে সমস্যা চললেও কার্যকর সমাধান হচ্ছে না।

এদিকে বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক কাজি রতন বলেন, বৃষ্টির কারণে কয়েকটি শেডে পানি ঢুকে কিছু পণ্য ভিজে গেছে। পাওয়ার পাম্পের মাধ্যমে পানি সরানোর কাজ চলছে। তবে বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। বৃষ্টি কমলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি জানান, জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

 

প্রতিফলন/রাশ 

আরও পড়ুন