২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ০৩:৪৭

শিরোনাম
সর্বোচ্চ জাকাত সংগ্রহকারী নির্বাচিত হলেন ডিসি ফরিদা খানম এনসিপিসহ ৭ দলকে ইসির শোকজ আশুরার শিক্ষা শান্তি ও ন্যায়ের পথ দেখায়: প্রধানমন্ত্রী ১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা সরকারের: অর্থমন্ত্রী শুক্রবার ৬ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায় বর্ষার শুরুতেই বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, আক্রান্তদের বেশিরভাগই শিশু বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের নতুন অধ্যায়, সই হবে ১৫ চুক্তি পূর্ববর্তী সরকারের ১,৩০০ উন্নয়ন প্রকল্প এখন সরকারের ‘গলার কাঁটা’: অর্থমন্ত্রী
শিরোনাম
সর্বোচ্চ জাকাত সংগ্রহকারী নির্বাচিত হলেন ডিসি ফরিদা খানম এনসিপিসহ ৭ দলকে ইসির শোকজ আশুরার শিক্ষা শান্তি ও ন্যায়ের পথ দেখায়: প্রধানমন্ত্রী ১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা সরকারের: অর্থমন্ত্রী শুক্রবার ৬ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায় বর্ষার শুরুতেই বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, আক্রান্তদের বেশিরভাগই শিশু বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের নতুন অধ্যায়, সই হবে ১৫ চুক্তি পূর্ববর্তী সরকারের ১,৩০০ উন্নয়ন প্রকল্প এখন সরকারের ‘গলার কাঁটা’: অর্থমন্ত্রী

হবিগঞ্জে হাওরে তলিয়ে গেল ৫০০ একর জমির বোরো ফসল

হবিগঞ্জে হাওরে তলিয়ে গেল ৫০০ একর জমির বোরো ফসল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১৮:৫০

হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার ইকরাম গ্রামের পার্শ্ববর্তী হাওর এলাকায় চৈত্র মাসের টানা বৃষ্টিতে প্রায় ৫০০ একর বোরো ধানের জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, হুগলির হাওরসহ আশপাশের হাওরগুলোতে স্থায়ী বেড়িবাঁধ না থাকায় প্রতিবছরই এমন ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। আগাম বন্যা ও অতিবৃষ্টির হাত থেকে ফসল রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

সরেজমিন দেখা যায়, কৃষক আহ্লাদ মিয়া ঋণ নিয়ে ৮ বিঘা জমি বর্গা নিয়ে বোরো চাষ করেছিলেন। গত শুক্রবার থেকে কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে পানির উচ্চতা বাড়তে থাকায় তার জমি রক্ষার সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়। বর্তমানে তার পুরো জমির ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে ঋণ পরিশোধ ও পরিবারের ভরণ-পোষণ নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন আরো অনেক কৃষক। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক প্রদীপ চক্রবর্তী জানান, ৬ বিঘা জমিতে চাষ করা তার ধানও পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে ঋণ শোধ ও সংসার চালানো নিয়ে তিনি অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।

কৃষক কুটি মিয়া বলেন, ‘চোখের সামনে ফসল তলিয়ে যাবে ভাবিনি, এখন সারা বছর কিভাবে চলব তা বুঝতে পারছি না।’

এদিকে হুগলির হাওর ছাড়াও বাদেশ্বরা, বালি ও ব্যাঙ্গা হাওর চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। আরো ভারি বৃষ্টি হলে এসব এলাকার হাজার হাজার একর ফসল তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

সুজাতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাদিকুর রহমান বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে বাঁধ উপচে বিভিন্ন হাওরে পানি প্রবেশ করছে, যার ফলে কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য দ্রুত সরকারি সহায়তা কামনা করেন।

হবিগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. আকতারুজ্জামান জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে এবং তালিকা প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন