০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৬:৩৮

শিরোনাম
প্রান্তিক গ্রাহকদের বিবেচিনায় রেখে বিদ্যুৎমূল্য পুনঃবিবেচনার অনুরোধ জানায় বিদ্যুৎ বিভাগ হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন
শিরোনাম
প্রান্তিক গ্রাহকদের বিবেচিনায় রেখে বিদ্যুৎমূল্য পুনঃবিবেচনার অনুরোধ জানায় বিদ্যুৎ বিভাগ হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন

১১ দিনের শিশুকে নিয়ে কারাগারে গেলেন মা

১১ দিনের শিশুকে নিয়ে কারাগারে গেলেন মা

প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১৯:১০

খুলনার একটি হাসপাতালে মায়ের সঙ্গে সাত দিন ধরে বন্দি থাকার পর ১১ দিনের এক নবজাতককে মায়ের সঙ্গে কারাগারে যেতে হয়েছে।

মানবপাচার মামলায় গ্রেপ্তার তার মা শাহজাদী রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে আদালতে হাজির হন। আদালতে তার পক্ষে কেউ উপস্থিত ছিলেন না, ছিল না কোনো আইনজীবী বা জামিন আবেদন। শুনানি ছাড়াই আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। শিশুটির দেখাশোনার কেউ না থাকায় তাকেও খুলনা জেলা কারাগারে নেওয়া হয়।

গত ১১ সেপ্টেম্বর খুলনার রূপসার একটি হাসপাতালে কন্যাসন্তানের জন্ম দেন শাহজাদী। এটি তার পঞ্চম সন্তান। ছেলে সন্তানের প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় স্বামী সিরাজুল ইসলাম তাকে হাসপাতালে ফেলে চলে যান এবং আর খোঁজ নেননি। মানসিক চাপে পড়ে চার দিন পর একই হাসপাতাল থেকে আরেক প্রসূতির ছেলে নবজাতক চুরি হয়। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে নবজাতক উদ্ধার করে শাহজাদীর মা নার্গিস বেগমের কাছ থেকে। দুজনকে আসামি করে মানবপাচার আইনে মামলা হয়। নার্গিস বেগমকে আগেই কারাগারে পাঠানো হয়েছে, শাহজাদী ছিলেন পুলিশ প্রহরায় চিকিৎসাধীন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, শিশুর বাবা শুরুতে সঙ্গে থাকলেও কন্যাসন্তান জন্মের পর থেকে আর আসেননি। ছাড়পত্রের দিনও তিনি বা পরিবারের কেউ উপস্থিত ছিলেন না, বিল পরিশোধ করেছে তাদের দূর সম্পর্কের এক আত্মীয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানান, আসামি সুস্থ হওয়ায় আদালতে উপস্থাপন করা হয়। আদালতের আদেশ সম্পর্কে তার কোনো বক্তব্য নেই। আদালতের প্রসিকিউশন কর্মকর্তা বলেন, আসামির পক্ষে কেউ না থাকায় আদালত নিয়ম অনুযায়ী কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। শিশুটির বিষয়টি আলাদাভাবে না উঠলেও মানবিক বিবেচনায় মায়ের সঙ্গে তাকে রাখা হয়েছে।

এই ঘটনা কেবল একটি মামলার তথ্য নয়, বরং সমাজের চাপে, অবহেলায় এবং সঠিক সহায়তা না থাকায় এক মায়ের দুর্বিষহ পরিস্থিতির প্রতিচ্ছবি। ১১ দিনের শিশুকে নিয়েও কারাগারে যেতে হয় যেখানে আদালতে তার হয়ে কথা বলার মতো কেউ ছিল না।

আরও পড়ুন