২১ জুন ২০২৬, রবিবার, ১৫:৩৬

শিরোনাম
মালয়েশিয়ার পথে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরের শেষে শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন: বিমানমন্ত্রী প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় বড় পরিবর্তন আনছে সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ, প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বগুড়ার ৩ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রোববার মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, এরপর চীন সফর বন্ধ কারখানাগুলোয় বিদেশি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সালমান শাহ হত্যা মামলার বিচারের দাবিতে ভক্তদের মানববন্ধন
শিরোনাম
মালয়েশিয়ার পথে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরের শেষে শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন: বিমানমন্ত্রী প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় বড় পরিবর্তন আনছে সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ, প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বগুড়ার ৩ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রোববার মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, এরপর চীন সফর বন্ধ কারখানাগুলোয় বিদেশি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সালমান শাহ হত্যা মামলার বিচারের দাবিতে ভক্তদের মানববন্ধন

সৌদি আরবের বিমান ঘাঁটিতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অবস্থান

সৌদি আরবের বিমান ঘাঁটিতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অবস্থান

প্রতিফলন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ০০:৫৫

দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত যৌথ কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তির অংশ হিসেবে সৌদি আরবের ‘বাদশাহ আব্দুল আজিজ বিমান ঘাঁটিতে’ অবস্থান নিয়েছে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ সামরিক দল। 

শনিবার (১১ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই খবর জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আরব নিউজ। পাকিস্তান বিমানবাহিনীর আধুনিক যুদ্ধবিমান ও প্রয়োজনীয় সহায়তাকারী বিমান নিয়ে গঠিত এই বাহিনীর মূল লক্ষ্য হলো দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সামরিক সমন্বয় জোরদার করা এবং অপারেশনাল প্রস্তুতির মান বৃদ্ধি করা।

আরব নিউজের তথ্যমতে, গত ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় এই মোতায়েন সম্পন্ন হয়েছে। এই পদক্ষেপকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা ও সামরিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে আঞ্চলিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে এবং যেকোনো সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি করাই এই অভিযানের প্রধান উদ্দেশ্য।

সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পাকিস্তানি বিমানবাহিনীর এই উপস্থিতি কেবল যৌথ প্রশিক্ষণই নয়, বরং দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্বকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

আরও পড়ুন