১০ জুন ২০২৬, বুধবার, ০০:০৯

শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তারের পর মন্ত্রনালয়ের ল্যাপটপ চুরি সরকারি চাকুরীজীবিদের বেতন বাড়বে ৫০ শতাংশ বাজেট অধিবেশনের তৃতীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ কোরিয়াকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির বাজেট ২০২৬-২৭: যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ৮৬ দিনে প্রাণহানি ৬৩১ চবিতে দেশের প্রথম স্যাটেলাইটভিত্তিক ওশান ডাটা সেন্টারের উদ্বোধন শ্রমবাজার সম্প্রসারণে রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের নতুন পরিকল্পনা
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তারের পর মন্ত্রনালয়ের ল্যাপটপ চুরি সরকারি চাকুরীজীবিদের বেতন বাড়বে ৫০ শতাংশ বাজেট অধিবেশনের তৃতীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ কোরিয়াকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির বাজেট ২০২৬-২৭: যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ৮৬ দিনে প্রাণহানি ৬৩১ চবিতে দেশের প্রথম স্যাটেলাইটভিত্তিক ওশান ডাটা সেন্টারের উদ্বোধন শ্রমবাজার সম্প্রসারণে রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের নতুন পরিকল্পনা

দক্ষিণ কোরিয়াকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির

দক্ষিণ কোরিয়াকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৯ জুন, ২০২৬, ১৬:৪৯

বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

মঙ্গলবার (৯ জুন) বঙ্গভবনে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

সকালে দক্ষিণ কোরিয়া ও মরক্কোর নবনিযুক্ত আবাসিক রাষ্ট্রদূতরা বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে তাদের পরিচয়পত্র পেশ করেন। বঙ্গভবনে পৌঁছালে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের একটি চৌকস দল তাদের গার্ড অব অনার প্রদান করে।

প্রথমে মরক্কোর রাষ্ট্রদূত লেল্লা বুথাইনা এল কার্দুদি এল কুলালি পরিচয়পত্র পেশ করেন। পরে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত কিম জি-জুন রাষ্ট্রপতির কাছে তার পরিচয়পত্র জমা দেন। রাষ্ট্রপতি উভয় রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশে স্বাগত জানান।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশে অন্যতম বৃহৎ বিনিয়োগকারী দেশ। বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্যামসাং ও হুন্দাইসহ শতাধিক কোরিয়ান প্রতিষ্ঠান দেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা পরিচালনা করছে।

তিনি বলেন, একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বর্তমানে দেশে অত্যন্ত বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ বিরাজ করছে। হালকা প্রকৌশল, ইলেকট্রনিক্স, জাহাজ নির্মাণ, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, তথ্যপ্রযুক্তি, তৈরি পোশাক ও অবকাঠামো খাতে কোরিয়ান বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

রাষ্ট্রপতি কোরিয়ান বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের জন্য বিদ্যমান ৯৫ শতাংশ শুল্ক ও কোটামুক্ত সুবিধা স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের পরও অন্তত চার বছর বহাল রাখার অনুরোধ জানান। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (সেপা) স্বাক্ষরের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী। দেশটির ঋণ সহায়তা বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এছাড়া জাহাজ নির্মাণ ও আইসিটিসহ বিভিন্ন শিল্পখাতে আরও বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগে সহযোগিতা কামনা করেন রাষ্ট্রপতি।

জবাবে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেন, তার দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে আগ্রহী। শিক্ষা, সংস্কৃতি ও অন্যান্য ক্ষেত্রেও সহযোগিতা বাড়াতে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

অন্যদিকে মরক্কোর রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার ও অগ্রসরমান। তিনি মরক্কোতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে সড়কের নামকরণ করায় দেশটির জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

রাষ্ট্রপতি মরক্কোকে স্বাস্থ্য, কৃষি, অবকাঠামো, তৈরি পোশাক, বস্ত্র ও আইসিটিখাতে বাংলাদেশি দক্ষ ও আধা-দক্ষ জনশক্তি নিয়োগের আহ্বান জানান। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এসময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন