১০ জুন ২০২৬, বুধবার, ০০:০৮

শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তারের পর মন্ত্রনালয়ের ল্যাপটপ চুরি সরকারি চাকুরীজীবিদের বেতন বাড়বে ৫০ শতাংশ বাজেট অধিবেশনের তৃতীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ কোরিয়াকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির বাজেট ২০২৬-২৭: যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ৮৬ দিনে প্রাণহানি ৬৩১ চবিতে দেশের প্রথম স্যাটেলাইটভিত্তিক ওশান ডাটা সেন্টারের উদ্বোধন শ্রমবাজার সম্প্রসারণে রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের নতুন পরিকল্পনা
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তারের পর মন্ত্রনালয়ের ল্যাপটপ চুরি সরকারি চাকুরীজীবিদের বেতন বাড়বে ৫০ শতাংশ বাজেট অধিবেশনের তৃতীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ কোরিয়াকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির বাজেট ২০২৬-২৭: যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ৮৬ দিনে প্রাণহানি ৬৩১ চবিতে দেশের প্রথম স্যাটেলাইটভিত্তিক ওশান ডাটা সেন্টারের উদ্বোধন শ্রমবাজার সম্প্রসারণে রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের নতুন পরিকল্পনা

প্রথমবার ১২ পারমাণবিক ওয়ারহেড মোতায়েন করেছে ভারত

প্রথমবার ১২ পারমাণবিক ওয়ারহেড মোতায়েন করেছে ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৯ জুন, ২০২৬, ১৬:৪৪

স্টকহোমভিত্তিক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপরির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ভারত প্রথমবারের মতো ১২টি পারমাণবিক ওয়ারহেড মোতায়েন করেছে। এর মাধ্যমে দেশটির পারমাণবিক নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ অস্ত্র পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা সিপরির মতে, দীর্ঘদিন ধরে ভারত শান্তিকালে পারমাণবিক ওয়ারহেড এবং সেগুলোর বহনকারী ক্ষেপণাস্ত্র বা অন্যান্য ডেলিভারি সিস্টেম আলাদা করে সংরক্ষণ করতো। তবে নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এবারই প্রথম ভারতের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারের একটি অংশকে ‘মোতায়েনকৃত’ বা অপারেশনাল হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র সাইলো এবং নতুন পারমাণবিক সাবমেরিনে দ্রুত ব্যবহারের উপযোগী পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের মাধ্যমে ভারত তার প্রস্তুতির মাত্রা বাড়িয়েছে।

সিপরির ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন করে মোতায়েন করা ১২টি ওয়ারহেডের অর্থ হলো— প্রথমবারের মতো ভারত কিছু পারমাণবিক ওয়ারহেডকে সরাসরি তাদের বহনকারী ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গে যুক্ত করেছে অথবা সেগুলোকে অপারেশনাল বাহিনীর ঘাঁটিতে স্থাপন করেছে।

সোমবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ভারতের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার প্রায় ১৯০টিতে পৌঁছেছে, যা আগের বছরের তুলনায় সামান্য বেশি। এই অস্ত্রগুলো বিমান, স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং পারমাণবিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী সাবমেরিন নিয়ে গঠিত ভারতের ক্রমবর্ধমান ‘নিউক্লিয়ার ট্রায়াড’-এর অংশ।

তবে ভারত এখনো তাদের ঘোষিত ‘নো ফার্স্ট ইউজ’ বা ‘প্রথমে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার না করার’ নীতিতে অটল রয়েছে। এই নীতি অনুযায়ী, ভারতের ভূখণ্ড বা বিশ্বের যেকোনো স্থানে অবস্থানরত ভারতীয় বাহিনীর ওপর পারমাণবিক হামলা হলে তবেই দেশটি পাল্টা পারমাণবিক আঘাত হানবে।

ভারত বরাবরই দাবি করে আসছে, তাদের পারমাণবিক সক্ষমতার উদ্দেশ্য অস্ত্র প্রতিযোগিতায় জড়ানো নয়; বরং সম্ভাব্য প্রতিপক্ষকে নিরুৎসাহিত করার জন্য সীমিত কিন্তু কার্যকর প্রতিরোধক্ষমতা বজায় রাখা।

আরও পড়ুন